আজম খান: ৯ বছর ধরে নিজের গানে বেঁচে আছেন যে মুক্তিযোদ্ধা

বিজ্ঞাপন

পপগুরু আজম খানের চলে যাওয়ার ৯ বছর পূর্ণ হলো আজ। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ২০১১ সালের এ দিনে  (৫ জুন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

ভক্তরা এই কিংবদন্তিকে নানাভাবে স্মরণ করলেও করোনা পরিস্থিতিতে রাখা হয়নি বিশেষ কোনো আয়োজন।

Azam Khan-the one who made a disparity - Art & Culture ...
আজম খান

রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কলোনিতে ১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জন্ম আজম খানের। তার পুরো নাম মাহবুবুল হক খান।

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ে আজম খান পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তখন ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে গণসংগীত প্রচার করেন।

১৯৭১ সালে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। কুমিল্লার সালদায় প্রথম সরাসরি যুদ্ধ করেন। আজম খান ছিলেন দুই নম্বর সেক্টরের একটি সেকশনের ইনচার্জ। সেকশন কমান্ডার হিসেবে ঢাকা ও এর আশপাশে বেশ কয়েকটি গেরিলা আক্রমণে অংশ নেন।

মুক্তিযুদ্ধের পর তার ব্যান্ড ‘উচ্চারণ’ দেশব্যাপী আলোড়ন তৈরি করে। ১৯৭২ সালে বন্ধু নিলু আর মনসুরকে গিটারে, সাদেককে ড্রামে আর নিজেকে প্রধান ভোকাল করে অনুষ্ঠান শুরু করেন।

ওই বছরই তার ‘এত সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে’ ও ‘চার কালেমা সাক্ষী দেবে’ গান দুটি বিটিভিতে প্রচারের ব্যাপক প্রশংসিত হয়। পরবর্তী সময়ে বিটিভিতে ‘রেললাইনের ওই বস্তিতে’ গান গেয়ে হইচই ফেলে দেন।

History of Bangladesh Rock: The Legacy of Azam Khan'

আজম খানের অন্যান্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- আমি যারে চাইরে, ওরে সালেকা ওরে মালেকা, আলাল ও দুলাল, একসিডেন্ট, অনামিকা, অভিমানী, আসি আসি বলে, হাইকোর্টের মাজারে, পাপড়ি, বাধা দিও না, যে মেয়ে চোখে দেখে না ইত্যাদি।

১৯৮২ সালে ‌‘এক যুগ’ নামে তার প্রথম ক্যাসেট বের হয়। এরপর আরও কিছু একক ও মিশ্র অ্যালবামে কণ্ঠ দেন। আজম খানের প্রথম সিডি বের হয় ১৯৯৯ সালের ৩ মে ডিস্কো রেকর্ডিংয়ের প্রযোজনায়।

গানের বাইরে হাতে গোনা নাটক-সিনেমা ও বিজ্ঞাপনে দেখা যায় তাকে।


সংবাদ২৪/এসডি

বিজ্ঞাপন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status