ঘুরে আসুন মানুষের তৈরি স্বর্গ থেকে

বিজ্ঞাপন

ভ্রমণে যেতে চান ? কোথায় যাবেন তা নিয়ে চিন্তিত । তাহলে ঘুরে আসুন মানুষের তৈরি স্বর্গে। ভাবতেই তো অবাক লাগে মানুষের তৈরি স্বর্গ কেমন করে হয়। তাহলে আসুন জেনে নেই মানুষের তৈরি সেই স্বর্গের কথা।

বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থানগুলোর মধ্যে একটি ইয়াস দ্বীপ । মানুষ সৃষ্ট এই আইল্যান্ডটি আবুধাবিতে অবস্থিত। যারা ভ্রমণের চিন্তা-ভাবনা করছেন,তারা গন্তব্য করতে পারেন এই দ্বীপটিকে। কারন সেখানে গেলে আপনি সেই ভ্রমণের স্মৃতি আজীবন ভুলবেন না।

ইয়াস দ্বীপের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এর চারদিকে রয়েছে ক্রিস্টালের মতো স্বচ্ছ টলটলে পানি। একই সঙ্গে রয়েছে দেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় কিছু স্থান।

Image result for ইয়াস আইল্যান্ড

আপনি যদি অ্যান্ড্রিনাল হরমোনের ক্ষরণ ঘটাতে চান তাইলে আপনাকে প্রথমে ইয়াস মেরিনা সার্কিটে যেতে হবে। এটাই দ্বীপের প্রথম দর্শনীয় স্থান। সেখানে আবুধাবি গ্র্যান্ড প্রিন্ডের সাইট এবং শব্দ দুটোই উপভোগ করতে পারবেন। সেখানের ট্র্যাকে কিছুক্ষণের জন্য আপনিও বিনোদনের জন্যে রেসার বনে যেতে পারবেন। এখানে এলে রোমাঞ্চকর উত্তেজনা চূড়ায় উঠবেই তা কি আর বুঝতে বাকী তাকে।

পরিবারের সাথে আনন্দঘন মুহূর্ত কাটাতে এর চেয়ে ভালো জায়গা পাওয়া আছে কি না সন্দেহ রয়েছে অনেকের। এখানে রয়েছে ব্যাপক বিনোদনের ব্যবস্থা। তাইতো আপনি হারিয়ে যাবেন অন্য এক দুনিয়ায় । আর এখানেই আছে বিস্ময়কর ফেরারি ব্র্যান্ডেড পার্ক। সেখানে আছে ফেরারির থিমপূর্ণ বিভিন্ন রাইড। সেখানে উঠতে পারেন পরিবার নিয়ে। এই পার্কের রাইড এবং ঘোরাঘুরির অভিজ্ঞতা কখনও ভোলার নয়। শিশুদের বাড়তি আনন্দের জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা রেখে ফেরারি।

ফেরারির ফর্মুলা ওয়ানের চেয়ে দ্রুত গতিতে ছুটতে চান। এই পার্কেই রয়েছে সেই ব্যবস্থা, পৃথিবীর একমাত্র রাইড যেটাতে চড়ে ফেরারির ফর্মুলা ওয়ানের চেয়ে দ্রুত গতিতে ছুটতে পারবেন। এই রাইডে চড়ুন, চোখে গগলস লাগান আর ছুটুন, গতি ৪.৯ সেকেন্ডে পৌঁছে যাবে ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার।

Image result for ইয়াস আইল্যান্ড

ইয়াসের ওয়াটার ওয়ার্ল্ড মনোমুগ্ধকর। এই জগতটি তৈরি হয়েছে ‘দ্য লিজেন্ড অব দ্য লস্ট পার্ল’ এর থিমে। এটা কিন্তু পৃথিবীর একমাত্র থিমপার্ক যেখানে আমিরাতের ঐহিত্য ফুটে উঠেছে। বিশাল এক পার্ক। এখানে আছে ৪০টিরও বেশি রাইড, স্লাইড এবং আকর্ষণীয় আরো অন্যান্য জিনিস। আমিরাতের পার্ল ডাইভিংয়ের অভিজ্ঞতা এখানেও মিলতে পারে। তেমনই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সেখানে। সত্যি সত্যিই আপনি গভীরে ডুব দিয়ে মুক্তো সংগ্রহের জন্যে ঝিনুক তুলে আনতে পারেন। যদি মুক্তো মিলে যায়, তো এগুলো বাড়িতে নিতে পারবেন সেখানে ভ্রমণের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে।
স্ট্রিট ফুড থেকে শুরু করে বিলাসী রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থা রয়েছে। আছে ক্যাফে আর লাউঞ্জ। যেখানেই ক্ষুধা লাগুক না কেন, আশপাশেই রেস্টুরেন্ট মিলবে। এই এক দ্বীপেই ১৬০টি রেস্টুরেন্ট মিলবে। এগুলোতে ২৫টি ভিন্ন ভিন্ন কুজিন মিলবে।
কোনো বিষেশ দিন বা সময়ের দরকার নেই। ইয়াস দ্বীপ সবসময় পর্যটকের আনাগোনায় মুখরিত। সারা বছর ধরেই চলে উৎসবের আমেজ। তাই যখন সময় ও সুযোগ হয় তখনই রওনা দিতে পারেন ইয়াস আইল্যান্ড। মানুষের তৈরি করা এক সত্যিকার স্বর্গ যেন।


সংবাদ২৪/সাব্বির

বিজ্ঞাপন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status