ঢুঁ মেরে আসুন বাদুড় গুহায় 

বিজ্ঞাপন

খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ির অনেক পর্যটন স্পটে আপনার যাওয়া হয়েছে হয়ত। সেখানে গুহার সন্ধান মানেই শুধু আলুটিলা গুহা চিনেছেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেখানকার বাদুড় গুহায় যাওয়ার সুযোগ হয়েছে? তা না হলে জেনে নিন সম্পূর্ণ নতুন আবিস্কৃত ‘তাবাক খ’ বা বাদুড় গুহা সম্পর্কে । আর পরেবার ঢুঁ দিয়ে আসবেন এই রোমাঞ্চকর গুহায়।

দীঘিনালা উপজেলা সদর থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে মেরুং ইউনিয়নে কার্বারী পাড়া এলাকায় এই গুহাটি রয়েছে। ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করার যতেষ্ট উপাদন রয়েছে তার।

স্থানীয় ত্রিপুরা ভাষা ভাষায় গুহার নাম ‘তকবাক খ’। অর্থাৎ বাদুড় গুহা। অনেকে আবার বলেন, দেবতার গুহা।

গুহাটি প্রথমে দেখে মনে হতে পারে প্রাগৈতিহাসিক কোনো স্থাপনা। উঁচু পাথুরে দুটো পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত ‘তাবাক খ’ গুহাটি। আরও অবাক করা বিষয় হলো প্রায় ৩০ ফুটেরও বেশি উচ্চতার গুহাটির মাথায় রয়েছে পাথুরে ছাদ। সেখানে রয়েছে বাদুড়ের আবাসস্থল। ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে আঁকা-বাঁকা গুহাটিতে যেতে ভয় অনুভূত হবে সবার।

গুহার পাশে রয়েছে ঝরনা।পাহাড় থেকে প্রায় ৬০০ ফুট নিচে নেমে পাথরের ঝিরি ঝরনা। ঝরনার পানি গড়িয়ে পড়ছে পাথরের ছড়ায়। এরপর ছড়ায় নেমে ৫ মিনিট পথে হাঁটলেই দেখা মিলবে বাদুড় গুহার। ঝরণার পাশ কেটে আপনাকে গুহায় প্রবেশ করতে হবে। গুহার দৈর্ঘ্য ১৬১ ফুট। গড়ে ৪ ফুট প্রস্থ। উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট।

আপনি যদি সেখানে যেতে চান তাহলে রথীচন্দ্র কার্বারী পাড়া পর্যন্ত চাঁদের গাড়িতে বা মোটরসাইকেলে ভরসা করতে পারবেন। এর পর পাথরের ঝিরিপথ ধরে হাটতে লাগলে গুহাটির দেখা মিলবে।

তবে সেখানে যেতে দরকার কিছু সতর্কতা। পাহাড়ে হাঁটার উপযোগী জুতা, গুহায় প্রবেশের জন্য টর্চলাইট অবশ্যই সঙ্গে নিতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার পানি সঙ্গে রাখলে ভালো।

বিজ্ঞাপন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status