পাহাড়ের ভাজে লিচুর হাসি

বিজ্ঞাপন

লিচু চাষের জন্য উপযোগী ভূমি হচ্ছে পাহাড়। বাংলাদেশে এক কালে পাহাড়েই সবচেয়ে বেশি লিচু চাষ করা হত। গত কয়েক দশকে সেই সংখ্যা কমে আসলেও পাহাড়ে নতুন করে লিচুর বৈপ্লবিক চাষ শুরু হয়েছে।

রাঙামাটির পাহাড়ের ভাজে ভাজে এখন কয়েক প্রজাতির লিচুর চাষ হচ্ছে। জেলার লংগদু, নানিয়ারচর ও সদর উপজেলায় লিচুর ফলন সবচেয়ে ভালো হয়েছে। সেই লিচু স্থানীয় বাজার ছাড়াও বিক্রি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। প্রতিদিন বিভিন্ন উপজেলা থেকে লিচু নিয়ে জেলা শহরের সমতাঘাট, তবলছড়ি, পৌরসভা ট্রাক টার্মিনাল ও রির্জাভ বাজার নিয়ে আসেন চাষিরা। সেখান থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা কিনে জেলার বাইরে নিয়ে যান।

রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ১৮৮২ হেক্টর জমিতে ১৫ হাজার ৯৯৭ মেট্রিক টন লিচু হয়েছে। হেক্টর প্রতি লিচু হয়েছে ৮.৫ মেট্রিক টন। রাঙামাটির বাজারে দেশিয় লিচু, চায়না-২, চায়না-৩ লিচু পাওয়া যাচ্ছে। ১০০ দেশি লিচু পাওয়া যাচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। এছাড়া, চায়না-২ প্রতি শত লিচু ১০০-১৫০ টাকায় ও চায়না-৩ লিচু ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাঙামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের গোরকাবাছড়া গ্রামের লিচু চাষি সুমেধ চাকমা বলেন- ‘‘আমার বাগানে এবার লিচু ফলনও ভালো হয়েছে কিন্তু করোনার কারণে দাম অনেক কম। আমি ১৫টি গাছের লিচু বিক্রি করেছি মাত্র ৪৫ হাজার টাকায়। অন্য সময় আরও বেশি দাম পেতাম।’’

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আপ্রু মারমা বলেন, সদর উপজেলায় ২০৫ হেক্টর জমিতে ৫১২ মেট্রিক টন লিচু উৎপাদনের লক্ষ‌্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি, এ বছর লক্ষ‌্যমাত্রার চেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হবে।

তিনি আরো বলেন, লিচু একটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল। বর্তমানে করোনার জন্য ভিটামিন সি খুবই প্রয়োজন। তাই বাজারে লিচুর চাহিদাও বেশি বেড়েছে।

#সংবাদ২৪/রাঙামাটি/চুলহুয়া/এমসি

বিজ্ঞাপন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status