ফিলিস্তিনে দখলদারিত্ব: ইসরায়েলকে ৪ দেশের হুঁশিয়ারি

বিজ্ঞাপন

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অংশ দখল নিয়ে ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মিশর, ফ্রান্স, জার্মানি এবং জর্ডান। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) তারা জানিয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব পড়বে।

জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, কি করে আবারও ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যে আলোচনা শুরু করা যায় সে ব্যাপারে তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আলোচনা করেছেন। এর মধ্যে ইসরায়েলের মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ দুই সহযোগী রাষ্ট্রও রয়েছে।

ইউরোপের অধিকাংশ দেশ পশ্চিম তীরের অধিকৃত কিছু অংশ যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের মাধ্যমে অগ্রসর হওয়া একটি চুক্তির অংশ তা ইসরায়েলের দখল করার পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে।

ফিলিস্তিনের প্রশাসন যারা পশ্চিম তীরকে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে চায় তারাও এর বিরোধিতা করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনো এই দখল করার পরিকল্পনার অনুমোদন দেয়নি।

ভিডিও কনফারেন্স শেষে ইউরোপীয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, আমরা একমত যে ১৯৬৭ সালে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং তা শান্তি প্রক্রিয়ার ভিত্তি নষ্ট করে দেবে।

তারা আরও বলেন, ১৯৬৭ সালের সীমান্তের এমন কোনো পরিবর্তন যাতে উভয়পক্ষের সম্মতি নেই তাতে আমরা স্বীকৃতি দেব না। এতে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কেও প্রভাব পড়বে।

ইসরায়েল এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে একটি পৃথক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, তিনি সোমবার (৬ জুলাই) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন যে এই অঞ্চলে ট্রাম্পের বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার প্রতি তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

নেতানিয়াহুর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা, যা সৃজনশীল এবং বাস্তবসম্মত, তার ভিত্তিতে ইসরায়েল আলাপ আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তারা আর অতীতের ব্যর্থ পদ্ধতিতে ফিরে যাবে না।

বিজ্ঞাপন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status