বাজেট পাশ হওয়ার আগেই মোবাইলে বাড়তি চার্জ কেন?

বিজ্ঞাপন

বাজেট পাসের আগে মোবাইলের কথা বলা ও ইন্টারনেটে বাড়তি শুল্ক কেন আরোপ করা হয়েছে তা জানতে চেয়ে অপারেটরদের চিঠি দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

অন্যদিকে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চাহিদা এবং অতীতের নজীর উল্লেখ করে আজ সোমবার বিটিআরসির চিঠির জবাব দিতে যাচ্ছে।

জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর ফলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে ব্যয় বেড়েছে।

১০০ টাকার ভয়েস কলে সরকারকে অতিরিক্ত দিতে হবে ৩৩ টাকা ২৫ পয়সা। অন্যদিকে ১০০ টাকার ডাটা সেবা নিতে হলে সরকারকে অতিরিক্ত ২১ টাকা ৭৫ পয়সা দিতে হবে। ভয়েস কল সেবার তুলনায় ডাটা সেবার ভ্যাট কম হওয়ায় এই পার্থক্য বহাল থাকছে।
গত বৃহস্পতিবার বাজেট ঘোষণার পর দিন থেকেই মোবাইল ফোন অপারেটররা বর্ধিত শুল্ক আরোপ কার্যকর করতে শুরু করে।

এর পর দিন গত শনিবার চার অপারেটরকে ই-মেইলে এর কারণ জানতে চেয়ে চিঠি দেয় বিটিআরসি। এতে বলা হয়, বাজেটে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণার পর তা ইতিমধ্যে আরোপ করা শুরু হয়েছে, এটি প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া এবং সব সেবা ও ট্যারিফ অনুমোদন বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয় চিঠিতে।

বাজেটে মোবাইল সেবায় যে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে, তা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে জানতে চেয়ে আমরা চিঠি পাঠিয়েছি এবং এ চিঠি দিতেই পারি। নিয়ম অনুযায়ী তারা এর উত্তর দেবে।

এ বিষয়ে মোবাইল অপারেটরদের যুক্তি হচ্ছে, জাতীয় সংসদে যেদিন বাজেট ঘোষণা হয়, সেদিন থেকেই নতুন শুল্ক কার্যকর হয়। অর্থবিলের ৮৮ পাতায় কোন কোন দফা অবিলম্বে কার্যকর হবে, তা উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় ৮০ নম্বর দফাও আছে। এই দফার অন্তর্ভুক্ত মোবাইল সেবা।

#সংবাদ২৪/এমকে

বিজ্ঞাপন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status