বৃদ্ধাশ্রমে অবহেলিত বাবা-মায়ের পাশে চার ঢাবি শিক্ষার্থী

বিজ্ঞাপন

 

“স্বপ্ন দেখার সুযোগ করে দিয়েছ মোদের অধিকার, আমরা নবীন নিশ্চয়ই হবো গর্বিত অধিকার” এই স্লোগান কে সামনে রেখে মুজিব শতবর্ষে করোনা দুর্যোগে বৃদ্ধাশ্রমে থাকা অবহেলিত বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার তরুণ।

শনিবার (২৫ জুলাই) ‘বঙ্গবন্ধু আনন্দ আশ্রম সেবা’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মভূমি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির হাইশুর বৃদ্ধাশ্রমে চিকিৎসা সেবা, খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, টেলিভিশন বিতরণ, উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ করা হয়।

এসময় মেডিকেল স্টুডেন্টদের সহায়তায় চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিচালনা ও ঔষধ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বাবা-মায়ের জন্য একটি টেলিভিশন, খাদ্য সামগ্রী ও তাদের ব্যবহারের জন্য তোয়ালে বিতরণ করা হয়।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে “বঙ্গবন্ধু আনন্দ আশ্রম সেবা” কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু আনন্দ আশ্রম সেবার প্রধান উপদেষ্টা ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধু আনন্দ আশ্রম সেবা টিমের দুই উদ্যোক্তা অপূর্ব চক্রবর্তী অপু এবং দীপম সাহার পরিচালনায় কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন- সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের যুগ্ম আহবায়ক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য কান্তারা খান, কাশিয়ানি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর ,কাশিয়ানি থানার অফিসার ইন-চার্জ মো আজিজুর রহমান, প্রমুখ।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন স্বরূপ বৃদ্ধাশ্রমে “বঙ্গবন্ধু স্মৃতি স্মারক” প্রদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধনকালে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বলেন, “এই করোনাকালে ছাত্রদের এই উদ্যোগে সত্যিকার অর্থেই প্রশংসার দাবিদার। সমাজের এই অবহেলিত শ্রেণির পাশে দাঁড়ানো এই চার তরুণের অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমাজের বিত্তবানদের উচিত ওদের পাশে দাঁড়ানো”

এই কার্যক্রমের মূল উদ্যোক্তার একজন অর্ক সাহা বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি দেশের প্রতিটা দুঃসময়ে দুঃসাহসিক ভূমিকা ছাত্ররাই রেখেছে। সেদিক বিবেচনা করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে আমরা ধাপে ধাপে দেশের সর্বস্তরে আমাদের বৃদ্ধাশ্রমে থাকা প্রতিটি মা-বাবা’র পাশে দাঁড়াতে চাই। আমরা জানি আমাদের জন্য এটা বড় চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি আমরা সকলের সহযোগিতায় এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবো। একই সাথে আমাদের চারজনের ব্যক্তিগত ইচ্ছা বঙ্গবন্ধু আনন্দ আশ্রম সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া এবং দেশের সকল বৃদ্ধাশ্রমে কাজ করা।

এই কার্যক্রমের  উদ্যোগ গ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের ছাত্র অপূর্ব চক্রবর্তী অপু, একই বিভাগের দীপম সাহা, জাদিদ ইমতিয়াজ আহমেদ ও মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অর্ক সাহা।

বিজ্ঞাপন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status