যে চার ভ্যাকসিনের উপর নির্ভর করছে করোনার ভবিষ্যৎ

বিজ্ঞাপন

বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে যাওয়া করোভাইরাস (কভিড১৯) সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগেই জানিয়ে দিয়েছে যে ভ্যাকসিন ছাড়া এ ভাইরাস থেকে পরিত্রানের উপায় নেই। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, উন্নত গবেষণাগারগুলো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের, যাতে বিদায় নেবে করোনায় মৃত্যু।

তবে, পুরো বিশ্বব্যাপী করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা চললেও সফলতার বেশ কাছাকাছি পৌঁছে গেছে চারটি ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিনগুলো বিশ্বমানের গবেষকরা দিনরাত পরিশ্রমের ফলে তৈরি করছেন। প্রতিটি দেশ এই চারটি ভ্যাকসিন নিয়ে আশায় আছে।

ইতোমধ্যেই এই চার ভ্যাকসিন সফলতার দেখা পেয়েছে। সেইসাথে জিতে নিয়েছে মানুষের আস্থা। আসুন জেনে নেওয়া যাক এগুলো কোন ভ্যাকসিন? কোন দেশ তৈরি করেছে?

যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না ভ্যাকসিন

এই চারটি ভ্যাকসিনের একটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না ভ্যাকসিন- এমআরএনএ-১২৭৩। করোনাভাইরাসের আরএনএ ব্যবহার করে তৈরি ভ্যাকসিনটি যৌথভাবে উদ্ভাবন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এলার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ ও ম্যাসাচুসেটসের বায়োটেক কোম্পানি মডার্না। মানবদেহে প্রয়োগের পর দ্বিতীয় ধাপে প্রয়োগের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এই ভ্যাকসিনের।

ভ্যাকসিন- এনকোভ-১৯

যুক্তরাজ্যের বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের উদ্ভাবন করা আরেকটি ভ্যাকসিন- এনকোভ-১৯। তিন মাসের প্রচেষ্টা চালিয়ে তৈরি এই ভ্যাকসিন ইতোমধ্যে মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে। আগামী জুনে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফল এলেই দ্বিতীয় ধাপে তৈরি করা হবে ভ্যাকসিনটি।

সিনোভ্যাক বায়োটেক– পিকোভ্যাক

সিনোভ্যাক বায়োটেক- পিকোভ্যাক নামের আকেটি ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছেন চীনের একদল বিজ্ঞানী। সম্প্রতি ভ্যাকসিনটি বানরের দেহে প্রয়োগ করে সফল হওয়ার দাবি করেছেন তারা।

ভ্যাকসিনটি প্রয়োগের পর বানরগুলোকে করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে নেওয়া হলেও তাদের ফুসফুসে ভাইরাসটির উপস্থিতি হ্রাস পেয়েছে বলে দাবি ওই বিজ্ঞানীদের। চীনের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি সিনোভ্যাক বায়োটেকের তৈরি করা এই ভ্যাকসিন বানরের পর মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে।

ভ্যাকসিন- বিএনটি১৬২

করোনার আরএনএ থেকে তৈরি করা অন্য একটি ভ্যাকসিন হলো ভ্যাকসিন- বিএনটি১৬২। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফাইজার ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি এবং জার্মান কোম্পানি বায়োএনটেক এটি তৈরি করেছে। প্রথম দফা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন করে দ্বিতীয় দফায় ৩৬০ জন স্বেচ্ছাসেবীর দেহে ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ওই বিজ্ঞানীদের দল।


সংবাদ২৪/সীমান্ত

বিজ্ঞাপন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status