লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৩০ মরদেহ উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন

বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে মালবাহী কার্গোর ধাক্কায় ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ  লঞ্চ দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৩০ জনে। তার মধ্যে লঞ্চটি উদ্ধারের সময় তার ভেতর থেকে এক সাথে ২২ টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ২৭ জনের পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করছে ফায়ার সার্ভিস এবং মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ডুবে যাওয়া লঞ্চ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

কমিটিকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করে সুপারিশসহ আগামী ৭ দিনের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে রোববার (৪ এপ্রিল) রাতে লঞ্চটি থেকে ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা সবাই নারী ছিলেন।

জানা যায়- দুর্ঘটনার পর সাঁতরে ২৬ জন যাত্রী তীরে উঠতে পারেন। বাকিরা নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ করেন বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড, দমকল বাহিনী, নৌ ও থানা পুলিশের উদ্ধারকর্মীরা। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএ দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক জানান, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করে মরদেহগুলো ফায়ার সার্ভিসকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা শনাক্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেবে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ঢাকার সহকারী পরিচালক সালেহ উদ্দিন জানান, জেলা প্রশাসন সমাপ্ত ঘোষণা করলেও আমাদের কার্যক্রম বিকেল পর্যন্ত চলবে। ইতোমধ্যে আমরা ২৭টি মরদেহ উদ্ধার করেছি।

এর আগে, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন জানান,  সন্ধ্যা ৬টার পর লঞ্চটি নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জের দিকে রওয়ানা দেয়। একটি কার্গোর সঙ্গে ধাক্কা লেগে এটি ডুবে যায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status