শেষ হয়েছে নুর-রাব্বানীর ডাকসুর মেয়াদ

বিজ্ঞাপন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর বর্তমান কমিটির বর্ধিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর গত বছরের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ভিপি হন নুরুল হক নুর এবং জিএস হন গোলাম রাব্বানী।

নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্ব নেন ২৩ মার্চ। এ বছরের ২২ মার্চ তাদের এক বছর পূর্ণ হয়।

তবে নতুন নির্বাচন কবে হবে তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নতুন ডাকসু নির্বাচনকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে চান ভিপি ও জিএস।

ডাকসুর গঠনতন্ত্রে (গ) ধারায় বলা আছে, ‘সংসদে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পদাধিকারীগণ ৩৬৫ দিনের জন্য কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন না করা যায়, তাহলে কার্যনির্বাহী পদাধিকারীগণ অতিরিক্ত ৯০ দিন অথবা নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্ব পর্যন্ত, যেটা আগে, দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া মাত্র পূর্বতন সংসদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।’

ডাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ বিষয়ে বলেন, ‘সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হবে এবং নিয়মের মধ্যেই হবে।’

এ বিষয়ে নুরুল হক নুর বলেন, ‘বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে থেকেই পরবর্তী নির্বাচনের দাবি আমরা জানিয়েছিলাম, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেদিকে কর্ণপাত করেনি। এ সময়ে যদি আমরা দায়িত্ব ছেড়ে দিই তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তী নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে উদ্যোগী হবে না। তাই আমাদের দাবি থাকবে, বর্তমান করোনাকালীন পরিস্থিতি বিবেচনা করে সংসদের মেয়াদ শেষ হলেও পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমরা যাতে দায়িত্ব পালন করতে পারি। এ বিষয়ে শিগগিরই ডাকসুর সভাপতির সঙ্গে আমরা আলোচনায় বসব। তবে অবশ্যই ডাকসু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার দাবি জানাচ্ছি। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এ প্রত্যাশা থাকবে।’

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘বর্তমান সংসদ বাতিল হয়ে যাওয়ার চেয়ে পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত এ সংসদ যাতে দায়িত্ব পালন করতে পারে, সে দাবি আমরা উপাচার্যের কাছে উপস্থাপন করব। করোনা পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আমরা নির্দিষ্ট সময়ের দায়িত্ব পালন করতে বাধাগ্রস্থ হয়েছি। সে জন্য পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে চাই।’

ডাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় গনতন্ত্র চর্চার জায়গা। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও পদে থাকাটা অনৈতিক ও অগণতান্ত্রিক। আমি মনে করি সব সদস্যের সদস্যপদ ছেড়ে দেওয়া উচিত।’


সংবাদ২৪/এসডি

বিজ্ঞাপন

Source দেশ রূপান্তর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status