সাংবাদিকরাও মুক্ত সাংবাদিকতার অন্তরায়!

বিজ্ঞাপন

দেশে বিভিন্ন সময় সংবাদ প্রকাশের জেরে বিভিন্ন কৌশলে সাংবাদিক গুম, হামলা, মামলা ও অপহরণের ঘটনা অহরহ। এমনি হত্যাকাণ্ডও ঘটেছে অনেক ক্ষেত্রে। বর্তমান সময়ে  আইনের কালো একটি ধারা সাংবাদিকতাকে আরও আবদ্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু  একমাত্র পদ্ধতিতে কি সাংবাদিকতাকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে? একদম না।

বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। গত বছর রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস নামে একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫০। ১৮০ টি দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। এতো শত সংবাদমাধ্যম কিন্তু স্বাধীনতা নেই কারণ কী?

বারবার সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতার জন্য রাষ্ট্রীয় চাপ, প্রশাসনিক জটিলতা, রাজনৈতিক প্রভাব, সোশ্যাল ব্যালেন্সিং টেকনিক ইত্যাদিকে দায়ী করা হয়েছে। কিন্তু এসবের বড় একটি অনুষঙ্গ হচ্ছে সাংবাদিকরা নিজে সেটা কখনও ভেবেছেন? তাহলে কিছু ঘটনা বলি।

কক্সবাজারের কর্মরত একটি জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিক স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে কিছু লেখালেখি করেছিলেন। সেই ঘটনায় ওই নেতা স্থানীয় আরেকজন টেলিভিশন সাংবাদিককে বাদী করে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করে দিলেন। সেই মামলায় ওই সাংবাদিক বর্তমানে কারাগারে।

সর্বশেষ ঘটনা হলো হবিগঞ্জের। সেখানকার একটি পত্রিকার স্থানীয় সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করার পর সেই এমপির পক্ষে একজন সাংবাদিক নেতা পত্রিকাটির সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা করলেন। সেই মামলায় সুশান্ত দাশ নামের ওই সাংবাদিক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাগারে গেলেন বৃহস্পতিবার দুপুরে।

এগুলো সাম্প্রতিক কালের ঘটে যাওয়া বলার মতো ঘটনা মাত্র। এর বাইরে ব্যক্তি জীবনের অভিজ্ঞতায় এমন ঘটনা আমি প্রতিনিয়ত দেখেছি।  পেশাগত রাজনীতিতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যক্তিস্বার্থে অন্য সাংবাদিকের (ন্যায়-অন্যায় বিবেচনা ছাড়া) অবস্থান নেয়ার এমন ঘটনা হরহামেশা। যদিও এমনটা সব পেশাতে হয় কিন্তু সাংবাদিকতার মতো চ্যালেঞ্জিং পেশার জন্য এটা ঝুঁকি তৈরি করা। এটা মূলত সাংবাদিকতার স্বাধীন পরিবেশ নষ্ট করা নয় বরং দুর্নীতি ও অন্যায়কে সাংবাদিকদের মাথায় তুলে হাটা।

২০১৮ সালের জুনে সাংবাদিক নির্যাতনের নেপথ্যে.. কী কারণ তা নিয়ে আমি একটি লেখা প্রকাশ করি। যেখানে সাংবাদিক নির্যাতন ও এই পেশার সমস্যার জন্য সাংবাদিকদেরই আমি দায়ী করি। তাতে অনেক জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা এর পক্ষে মত দিয়েছেন। কেউ ইনবক্সে আর কেউ প্রকাশ্যে কমেন্ট বক্সে জানিয়েছেন তাদের অভিজ্ঞতা।

আমাদের দেশে যে পরিমাণ সাংবাদিক নির্যাতন হয়েছে গত বছরের তার ৭০ ভাগ ক্ষেত্রে সিনিয়র সাংবাদিকদের ইন্ধন পাওয়া গেছে। এখানে দু’টা কারণ রয়েছে। প্রথমতো তাদের আনুগত্য না করা। দ্বিতীয়ত দুর্নীতি নিয়ে লেখার ফলে তাদের অন্যায় উপায়ের উপার্জন ও ভাগে ভাটা পড়া।

সম্মানজনক এই পেশায় যেমন বেড়েছে হলুদ সাংবাদিকদের সংখ্যা তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লেজুড়বৃত্তি সাংবাদিকতা। এ ক্ষেত্রে হলুদ সাংবাদিকরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন না। কারণ তাদের উদ্দেশ্য যেহেতু ভিন্ন সুতরাং তাদের প্রশাসনের প্রয়োজন খুব। অপরাধ ঢাকা দিতে যেহেতু সাংবাদিক পরিচয় বহন করছেন সেহেতু তারা তেলবাজিতে এগিয়ে। নিয়ম অনুযায়ী তাদের যেসব শাস্তির সম্মুখীন হওয়ার কথা ছিল তা প্রয়োগ করা হচ্ছে মূলধারার সাংবাদিকদের উপর। সে ক্ষেত্রে সহায়তা করছেন ওই সাংবাদিকরাই।

সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলার ধৃষ্টতা রেখে পথ চলা সাংবাদিকদের দিন এখন ফুরিয়ে যাচ্ছে। আর যারা লড়াই করে ঠিকে আছেন  এরাই অপরাধীদের আতঙ্ক। আর আতঙ্ককে দমানোর জন্য তাদের জন্য পালটা আতঙ্ক তৈরি করা গেলে তা ভাল কাজ দিবে, এমন ধারণা থেকে পুলিশ, রাজনীতিবিদ, সন্ত্রাসী, এমনকি প্রয়োজনে রাষ্ট্র  সাংবাদিকদের পাল্টায় ভয় দেখিয়ে থামাতে চাচ্ছে। প্রথম ধাপে হয়রানি এবং ২য় ধাপে সরাসরি নির্যাতন হচ্ছে। কিন্তু প্রকৃত পেশাদারিত্ব নিয়ে যারা সাংবাদিকতা করেন তাদের কাছে আগ থেকেই ‘সত্য প্রকাশের পরিণতি’ স্পষ্ট থাকে। তাদের ধমানো যায়নি,যাবেও না সম্ভবত।

সত্য প্রকাশে সাংবাদিক কেন সাংবাদিকের বাধা তা স্পষ্ট । তবে সাংবাদিক নির্যাতনে সাংবাদিক নেতাদের ইন্ধন কেন থাকছে? এমন প্রশ্নের জবাব একটাই যে স্বার্থ। আমাদের দেশের অধিকাংশ সাংবাদিক নেতারা নানা ব্যবসা বাণিজ্য করেন তা ভাল। তার মধ্যে মফস্বলে ব্যবসায়ীরাই সাংবাদিক নেতা হন বেশি। যাদের মূল পেশা ব্যবসা কিন্তু সাংবাদিকতাকে পাশাপাশি রেখেছেন।  কারণ মফস্বলে পেশাদার সাংবাদিকতা সম্ভব হয় না। জেলাতে কর্মরত একজন সাংবাদিক সপ্তাহে অন্ত ৯ টি বিটের রিপোর্ট করে পাঠান। বুঝে না বুঝেও সাংবাদিকতার সব বিভাগে তাদের কলম চালাতে হয়। অথচ তাদের সর্বোচ্চ বেতন ও সুযোগ সুবিধা শুনলে সবাই হাতে ও কাঁদে। এর জন্য কর্পোরেট মিডিয়াগুলোর কর্মী বৈষম্য দায়ী। যে কারণে আমি সর্বশেষ চাকরি ছেড়েছিলাম। সে প্রসঙ্গে না আসি আজ।

সাংবাদিক নেতারা যখন তাদের ব্যক্তিগত কাজ করতে পুলিশ, রাজনীতিবিদ, প্রভাবশালী ব্যক্তির শরণাপন্ন হচ্ছেন নিজের স্বার্থ হাসিলে তাদের ব্যবহার করছেন তখন তাদের সহযোগিতা করা তার কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়। সে কর্তব্য কি? এককথায় তাদের সকল অপকর্ম সহ্য করা এবং প্রয়োজনে সহযোগিতা করা। বিনিময়ে পার্সেন্টেজও পাচ্ছেন সাংবাদিক নেতারা। কিন্তু যখন কোন আপোষহীন ব্যক্তিত্ব সেই সব জায়গায় খুঁচা দেয় তখন অপরাধীদের মাথা খারাপ। অপরাধীদের মাথা খারাপ মানে সাংবাদিক নেতার ব্যর্থতা। কারণ তিনি সাংবাদিকদের তা প্রকাশ থেকে বিরত রাখতে টেন্ডার নিয়েছিলেন।

যখন নেতা দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ তখন তার নানা কাজের সহযোগিতা ও অবৈধ কাজের পার্সেন্টেজ বন্ধ। তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত দু’জনই। তখন প্রথমে সত্য খুঁজে বের করা সাংবাদিককে অর্থের লোভ দেখানো। আগ থেকে যদি জানেন যে সে সৎ আপোষ করবে না। তাহলে সোজা তাকে ফাঁসিয়ে দেয়া কিংবা কালো আইনে বেঁধে ফেলা। হাড্ডি ভেঙ্গে দেয়ার পরিকল্পনা এমনকি হত্যা করার কথাও ভাবেন। সাংবাদিক নেতার অভ্যন্তরীণ সহযোগিতায় বুক ভরা সাহস নিয়ে তারা লেগে পড়ল সাংবাদিকের পেছন। ফলাফল দাঁড়ালো ইয়াবা ব্যবসায়ী সাজিয়ে অপমান ও বন্ধী করা। সংবাদ প্রকাশের সময় ‘গুপ্তচর’ তকমা দিয়ে কথিত আইনে তাকে মামলা দিয়ে হয়রানী করা। এখন আছে যুক্তিছাড়া শর্টকাট আইন ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন; সোজা জেল।

ইদানীং সাংবাদিকতায় সাংবাদিকরা বাধা হওয়ার আরেকটি কারণ পেয়েছি আমি। সেটি হচ্ছে পেশাগত রাজনীতি  ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধন্ধ ও প্রতিহিংসা।  এই সমস্যাটা সময়ের সাথে বাড়ছে। সাংবাদিক নেতা হওয়ার জন্য এতো নোংরামি করতে হচ্ছে কেন? কেন সহকর্মীর বিরুদ্ধে যেতে হচ্ছে? আসল কথা এখানে আসতে পারলে অনেক আয় অঘোষিত বৈধতা পেয়ে যায়। এখন তো সরকারি সুবিধাও আছে শুনেছি। বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রীয় রোষানলে পড়া সাংবাদিকতাকে রক্ষা করতে জাতীয় সাংবাদিকরাও তো চুপসে যান কেন সে প্রশ্ন করলে তো এদেশের সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ দেখি না আমি।

এসব কারণে  জাতির বিবেক খ্যাত এই পেশার বারোটা বেজে গেছে। এখন সাংবাদিক পরিচয় দিলে মানুষ আপনাকে এড়িয়ে চলবে। সাংবাদিক পরিচয় দিলে আত্মীয়স্বজন আপনাকে অপরাধীর মতো দেখে। আর পাড়ার চায়ের দোকানে ক্ষ্যাপা কোনো প্রবীণ আপনাকে পেয়ে গেলে চৌদ্ধগোষ্ঠী উদ্ধার করে গালি দিবে কারণ তারা সাংবাদিকতাকে দেখে এসেছেন। সেই সাংবাদিকতাকে তারা আমাদের মাঝে আর খুঁজে পায় না। সবাই মনে করে টাকার কাছে সাংবাদিকদের মাথা বিক্রি হয়ে গেছে। আসলেও সাংবাদিকদের মাথা বিক্রি হয়নি একটি সিস্টেম ও নেতৃত্ব চুপসে দিয়েছে পুরো সাংবাদিক সমাজকে, মিডিয়াকে। যেখান থেকে বেরিয়ে আসা আর সহজ নয়।

যেমন দেখুন সাংবাদিকদের হামলা মামলা ও নির্যাতনে কারা কথা বলতে আসছেন? নেতাদের ভাষায় বড় কোনো সাংবাদিক নয় এমন লোক। মানে কিছু সাংবাদিকই প্রতিবাদ করছেন কিন্তু নেতারা বসে আছেন আয়েশে। কেউ বলছেন, ওমুকে প্যানেলের, কেউ বলছেন আবেগী সতদের এমনই হয়, কেউ বলছেন হালায় কমিউনিস্ট মার্কা মরুক, কেউ বলছেন ও যমুনা টিভির সাংবাদিক? থাক থাক। কেউ বলছেন উপজেলা প্রতিনিধি? দূর এরা বাটপারি করতে গিয়ে ফেঁসেছে এসব নিয়ে বলার সময় নাই। কেউ বলছেন, অনলাইনের সাংবাদিক? ধুর এরা ভুয়া নিউজ করেছে নিশ্চয়।

অনেকে ভাবছেন সাংবাদিকরা অপরাধ করলেও তাদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা কথা বলবেন না এমনটা চাচ্ছি কিনা। আসলে একদম তা নয়। আমি যে সাংবাদিক সংগঠনের সদস্য সেই সংগঠনের একটি  অঘোষিত নিয়ম ছিলো কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কেউ সেখানে এসে প্রেস কনফারেন্স করতে পারবে না। আমি নেতাদের সাথে এ নিয়ে অনেক তর্ক করেছি এমন নিয়ম বন্ধ করার জন্য। আমিও অন্য সাংবাদিকদের বিরোধিতা করি। সেটা নৈতিক ও আদর্শিকভাবে। আমি বিভিন্ন হাউজের সহকর্মীদের বলি সারাদেশে রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে জামায়াত-শিবিরের ছেলেরা সাংবাদিকতায় আসছে তাদের রুখতে হবে। কারণ এরা দেশ ও সংস্কৃতির বিরোধী। আবার সাম্প্রতিক ঢাকার এক সাংবাদিকের নারী নির্যাতনের ঘটনায়ও আমি কথা বলেছি। সে ব্যাপারে আমি সত্য মিথ্যা জানিনা তবে এমন অপরাধ সংগঠিত হলে তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। যে অপরাধের কারণে আমি আমার বাবাকেও বহুবার শাস্তি দিতে চেয়েছিলাম। অনেক সাংবাদিকরা সেখানে প্রতিবাদ করছেন। তাদের মধ্যেও রাজনীতি আছে। কেউ অপরাধকে দেখে আর কেউ ব্যক্তিগত শত্রুতায় তাকে দমন করার সুযোগ পেয়ে প্রতিবাদ করছেন।

মফস্বলে আবার এই সাংবাদিক নির্যাতনের বেশ কিছু কারণও আছে। যেমন পেশাদারিত্ব বোধ ও সংবাদ চর্চার কৌশল না জানা। প্রশিক্ষিত ও শিক্ষিত সাংবাদিকের অভাব। রাষ্ট্রীয় আইন ও বিধিনিষেধ সম্পর্কে না জানা। হলুদ সাংবাদিকতা ও চাটুকারি সাংবাদিকতা। এর বাইরে ব্যবসায়ীক সাংবাদিকতা তো আছে। আবার ব্যক্তিকেন্দ্রিক দ্বন্দ্বকেও পেশায় টেনে আনা হয়। সেসব কারণে সাংবাদিকরা সমস্যার সম্মুখীন হন। তবে সেক্ষেত্রে আবার সাংবাদিকদের নীরব ভূমিকা হতাশ করে আমাদের। সাংবাদিক প্রচলিত আইনে অপরাধ করলে কিংবা সাংবাদিকের সাথে অন্যায় করলে কথা বলতে হবে। মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করতে হলে নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের অবসান করতে হবে। লেজুড়বৃত্তি সাংবাদিকতা ও পেইড রিপোর্টিং বন্ধ করতে হবে। সমন্বিত সিদ্ধান্তে থাকলে একটি রাষ্ট্রকেও চ্যালেঞ্জ করতে পারে সাংবাদিকরা। আচ্ছা কাজল ভাইয়ে তো আর কোনো খবর নেই! সুশান্ত দা’কেও ভুলে যাব আগামীকাল?

  • লেখক:  হেব অব করেসপন্ডেন্ট- সংবাদ২৪।
সংবাদ২৪-এ প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব।
প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত পত্রিকার সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে 
এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় 
কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়।

  • সংবাদ২৪-এর ‘খোলামত’ বিভাগে আপনিও লেখা পাঠাতে পারেন। লেখার গুণগত মান ও আমাদের সম্পাদকীয় নীতির আলোকে পর্যালোচনা করে আমরা তা প্রকাশ করবো। লেখা পাঠান [email protected] এই ঠিকানায়।

বিজ্ঞাপন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
Loading...
DMCA.com Protection Status